ডিজিটাল এতো জনপ্রিয়ি কেন এখনই তা জেনে নিন ।

 


💻ডিজিটাল মার্কেটিং এতো জনপ্রিয়ি কেন এখনই তা জেনে নিন 👀


ছোট হোক কিংবা বড়  দৈনন্দিন জীবনে প্রতিটি ব্যবসার জন্য এখন ডিজিটাল মার্কেটিং মানুষে জন্যন হইয়ে উঠেছে একটি অন্যতম অপরিহার্য কৌশল। মানুষ তার যে কোন ব্যবসাকে এখন লাভবান করে তোলার জন্য তার ব্যবসার পণ্যগুলোকে সে ভালোভাবে প্রচার করার জন্য সকলেই এখন  ডিজিটাল মার্কেটিংকে বেছে নিয়েছে। সারা বিশ্বে ডিজিটাল মার্কেটিং এর অবদান অনেক বেড়েই চলেছে  ও সারা বিশ্বে এটির প্রচার ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

একজন মানুষ এখন ঘরে বসে থেকেই  সে তার পণ্য এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বা এক দেশ থেকে অন্য দেশে খুব সহজেই বেচাকেনা করতে  পারছে। শুধু তাই নয় পণ্য ক্রয়কারীরা পণ্যটিকে ভালোভাবে দেখে ও পণ্যের দাম সহ  পণ্যের সকল বৈশিষ্ট্য দেখে পণ্যটি ক্রয় করছে। আর এগুলো সম্ভব হচ্ছে শুধুমাত্র ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য।


✅পেজ সূচিপত্রঃ ডিজিটাল মার্কেটিং জনপ্রিয় হওয়ার কিছু কারণ সমূহ👇


    আমাদের জীবনে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ব্যাপক চাহিদা। 

    ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এর কারণ মূলত মানুষ এখন খুব সহজে ও অনেক কম খরচে সে তার লক্ষ্যে পৌঁছে যাচ্ছে। আর ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা বাড়বেই না কেন কারণ আমরা বাঙালিরা সেই দোকানে ভিড় করি যে দোকানে পণ্য কম দামে পাওয়া যায়। তাহলে যেখানে কম খরচেও স্বল্প সময়ে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হয়ে লাখ টাকা আয় করা যাচ্ছে তাহলে সেখানে মানুষ এর চাহিদা থাকবেই না কেন 


    আপনি যেখানে বা যে দোকানে কম দামে জিনিস পাবেন সেই দোকানে মানুষের ভিড় অবশ্যই হবে ও সেই দোকানে পণ্যের চাহিদা মানুষের কাছে দিন দিন বেড়েই যাবে। একইভাবে যেখানে অল্প খরচে অতি কম সময় ব্যায় করে লাখ টাকা ইনকাম করা যায় তাহলে সেখানে মানুষের চাহিদা অবশ্যই বৃদ্ধি পাবে আবার যতদিন যাবে মানুষের চাহিদা আরও বাড়তে থাকবে কারণ লাখ টাকা আয় করার স্বপ্ন কারি বা নাই।


    তাহলে আপনি ভাবুন মানুষ যে দকানে কম দামে পণ্য ক্রয় করতে পারছে সে দোকানে মানুষের ভিড় বেশি হচ্ছে। তাহলে যেখানে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে অল্প সময়ে লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবে এটা জানার পর অবশ্যই মানুষের চাহিদা এর উপর দিগুণ হবে এটা সাভাবিক।

    আর এই চাহিদা বাড়ার ফলে একটি বেকার ও অকর্মরত  মানুষ ও তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে। আমাদের দেশে অনেক অনলাইন ব্যবস্থা আছে যেমন খাবার খেতে ইচ্ছে করলে বাসায় না বানিয়ে বিভিন্ন ধরনের অনলাইন মাধ্যমে যেমন ফুডপান্ডা (foodpanda) তে আপনি আপনার ইচ্ছামতো খাবার  অর্ডার করতে পারবেন । আবার অন্যদিকে পণ্য বিক্রয় করার জন্য bikroy.com, আবার কোন কিছু কেনার জন্য রয়েছে daraz.com, amazon.com ও আরো অন্যান্য ওয়েবসাইট আছে। এ থেকে বোঝা যায় ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা কতটুকু। 

    আরো পড়ুনঃ  আপনি যে  প্ল্যাটফর্ম গুলো  থেকে নিজের ক্যারিয়ার করতে পারবেন। 

    • email marketing 
    • social media marketing[SMM]
    • YouTube channel optimization 
    • affiliate marketing 
    • content marketing 
    • Google & Facebook marketing 
    • Search Engine Optimisation [SEO]

    ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে টাকা আই করতে কত সমই লাগে।

    আমরা জানি ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে এখন খুব অল্প সময়ে টাকা আয় করা যাই। তবে একটি তখনই সম্ভব যখন আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে ভালোভাবে জানবেন ও এ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করবেন। আপনি যদি খুব অল্প সময়ে ঢাকায় করতে চান তাহলে আপনাকে নিজের চেষ্টা,ধৈর্য ও দক্ষতাকে কাজে লাগাতে হবে।


    আপনি যদি চেষ্টা না করেন ও ধৈর্য না ধরেন তাহলে আপনি ভালোভাবে  ভাবে কাজটি শিখতে পারবেন না,তার সাথে ইনকাম ও  শুরু করতে  পারবেন না।ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে আই শুরু করতে সাধারণত ৩-৬ মাস সময় লাগে। তবে আপনি যদি দক্ষতার সাথে ধৈর্য ধরে অধিক পরিশ্রম করেন তাহলে ৩ মাস এর মধ্যে ইনকাম শুরু করে দিতে পারবেন। তবে সেটি নির্ভর করবে আপনার কাজের উপর ও আপনাকে যে কাজ শিখাচ্ছেন তার ওপর। 


    তবে মনে রাখতে হবে শুধু শিখলেই হবে না, শিখার সাথে সাথে প্র্যাকটিসও করতে হবে -সিটি নিজের ব্লগ, ফেসবুক পেজ বা আর অন্যান্য মাধ্যম দিয়ে প্র্যাকটিস করতে পারেন। আপনার ইনকাম অল্প সময়ে তখনই শুরু হবে যখন আপনি সঠিকভাবে কাজ শিখে ও বাস্তব অনুশীলনে ৩-৬ মাস ভালোভাবে মনোযোগ দিয়ে নিজের চেষ্টা ও আগ্রহের  সাথে কাজ করে এগিয়ে যেতে হবে।


    ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার গঠনে যেভাবে বিশাল অবদান রাখছে।

    ক্যারিয়ার গঠনে বিশাল অবদান রেখেছে ডিজিটাল মার্কেটিং। বর্তমানে আমাদের বিশ্বে ডিজিটাল মার্কেটিং এমন একটি রূপ ধারণ করেছে যা আমাদের বিশ্বে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ডিজিটাল মার্কেটিং এর কারণে আমাদের এই বিশ্ব গ্রামে ব্যবসার হার সহ আর্থিক ইনকাম ও ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কেটিং করে ক্যারিয়ার সংগঠনের সুযোগ দিন দিন বেড়েই চলেছে। এর মূল কারণ মূলত, আজকাল প্রায় সব জায়গাতেই, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে তারা তাদের পণ্য ও সেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারছি। আর এটি সম্ভব হয়েছে মূলত ডিজিটাল মার্কেটিং এবং অনলাইন মাধ্যমের কারণে। 


    ব্যবসা ছোট হোক বা বড় এখন সবারই দরকার একজন দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটার হওয়া । আপনি ডিজিটাল মার্কেটার হয়ে অফিসে না গিয়ে বাসায় বসে থেকেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করে নিজে ছোট্ট একটা এজেন্সি খুলে অনেক কম খরচে ও সহজে শিখা যায় এমন এক ধরনের শিক্ষাগত ও অভিজ্ঞ মানুষ এখানে প্রবেশ করাতে পারেন। ডিজিটাল মার্কেটিং হল এমন একটি প্লাটফর্ম, যেখানে আপনি চাইলে অল্প সময়ের মধ্যে ও খুব স্বল্প খরচে নিজেকে দক্ষ করে তুলতে পারেন এবং আপনার জীবনকে বদলে দিতে পারে এবং আপনাকে একটি সফল ও সুন্দর কোরিয়ার এর অধিকারী করে তুলতে পারেন।


    আরো পড়ুন ঃডিজিটাল মার্কেটিং  এর মধ্যে ক্যারিয়ার   গড়ার প্রথম ধাপ। 

    আপনি যদি একজন ডিজিটাল মার্কেটটার হতে চান তাহলে এই বিষয়ে অবশ্যই আপনার ধারণা থাকতে হবে।দেখুন যখন আপনি একটি যেকোনো জিনিস শিখতে চান, এবং সেই শিখা টাকেই কাজে লাগিয়ে ভালো কিছু করে এগিয়ে যেতে চান, তার আগে আপনাকে ধারণা নিতে হবে আপনি যেটা  শিখবেন বা যেটা  করতে  যাচ্ছেন  তা সম্পর্কে ধারণা বা জ্ঞান অর্জন করা জরুরী। কারণ ধারণা বা জ্ঞান না থাকলে আপনি কখনোই সফল হতে পারবেন না। 


    ধরে নিন আপনি একটি মুদিখান দোকান দিয়ে ব্যবসা শুরু করতে চান কিন্তু আপনি জানেন না যে একটি মুদিখানার দোকান দিতে কত খরচ হয় বা প্রথমে কত টাকার মাল তুলতে হবে, কোন্টার দাম কত টাকা। কিভাবে কি করলে কি হবে ইত্যাদি। 


    তাহলে আপনি যদি ব্যবসা শুরু করতে কি কি প্রয়োজন, কত টাকা লাগবে, কত টাকা ট্যাক্স, দিতে হবে এগুলো না জেনেই যেমন আপনি দোকান খুলে ব্যবসা শুরু করতে পারবেন না, ঠিক তেমনি ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে কোন কিছু না জেনে ধারণা না নিয়ে আপনি কখনোই একজন সফল ডিজিটাল মার্কেটার হতে পারবেন না।  


    আরো পড়ুন :দেশে বিদেশে বহু কোম্পানিতে চাকরি করতে চান। 


    হ্যাঁ এটা সত্যি আপনি যদি একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকেন তাহলে আপনি বিদেশি ক্লাইন্ট ক্লাইন্ড দের সাথে বিভিন্ন দেশে বিদেশে এক্সপার্ট মার্কেটার, সোসিয়াল মেডিয়া মার্কেট, কনটেন্ট স্ট্যাটজিস্ট এবং ক্যাম্পে ম্যানেজার ইত্যাদি পদে চাকরি বা কাজ করতে চাইলে নিউ করতে পারবেন। তবে অবশ্যই আপনাকে সেই কাজগুলোতে দক্ষ হতে হবে। 


    সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে টাকা ইনকাম ঃ


    ডিজিটাল মার্কেটিং এতো জনপ্রিয়ি কেন এখনই তা জেনে নিন 


    ডিজিটাল মার্কেটিং কে সহজ ভাষায় বলতে গেলে বোঝানো হয় যে ধরেনিন আপনি একটি ব্যবসা শুরু করবেন বা আপনি ঘরে বসে একটি খাবার বা অন্য কিছু তৈরি করলেন। ধরে নিন আপনি ঘরে বসে বিভিন্ন ধরনের আচার যেমনঃ-

    • বরই এর আচার 
    • আমের আচার,
    • জলপাইয়ের আচার, 
    • চালতার আচার 

    ইত্যাদি আর নানা ধরনের আঁচার তৈরি করলেন এখন আপনি সে পণ্য বা আপনার তৈরি  আচারগুলোকে ঘরে বসে থেকেই বাইরে কোথাও না গিয়েই বিক্রি করতে চান। সেজন্য আপনার অবশ্যই একটি প্ল্যাটফর্ম থাকতে হবে। যেমন (facebook )পেজ অথবা (YouTube )চ্যানেল  অথবা কোন ওয়েবসাইটে আপনি এই প্লাটফর্ম গুলো ব্যবহার করে আপনার পণ্যের একটি ছবি বা ভিডিও করে ফেসবুক বা youtube চ্যানেলে ছাড়লেন। এবং সুন্দরভাবে আপনার পণ্যের দাম সহ  ডেলিভারি খরচ ও আপনার পণ্যের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরলেন। এবং আপনার পোস্ট টি যখন মানুষ দেখবে বা আপনার পণ্যের ছবি ও ভিডিওটি দেখবে এবং উৎসাহিত হয়ে পণ্যটি কিনার জন্য অর্ডার দিবে তখন আপনি সেই পণ্য টি বেচাকেনা করার মাধ্যমে লাভবান হতে পারবেন।


    এইভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং এর অনেক দিক আছে যেগুলো কোন না কোন মাধ্যম দিয়ে আপনি আপনার সুন্দর একটি ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবেন। শুধু ফেসবুক ও  ইউটিউব নয় এর সাথে রয়েছে :-

    • [SEO]search engine of optimization,
    •  social media marketing, 
    • Google and Facebook AdSense, 
    • email marketing,
    •  affiliate marketing, 
    • content creation analytic

    এই সবগুলোর মাধ্যম দিয়ে আপনি আপনার ক্যারিয়ারের দরজা খুলতে পারেন। আর এই কাজগুলো সুবিধা হচ্ছে এটি ঘরে বসেই করা যায় ।



    ডিজিটাল মার্কেটিং সিখে ই-কমার্স সাইট পরিচালনা করার মাধ্যম


    আপনি যদি একটি পূর্ণাঙ্গ ই-কমার্স সাইট পরিচালনা করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং কি তা শিখে রাখতে হবে ও এর সম্পর্কে   পুরো পুরি  জ্ঞান অর্জন করতে হবে। 


    বর্তমান বিশ্বে মানুষের জীবনে অনলাইন কেনাকাটা একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। মানুষ এখন তার ব্যবসা, তার যাবতীয় পণ্য ক্রয় সহ সেবা দান করা সহ সব এখন মার্কেটিং এর মাধ্যমে হচ্ছে। মানুষ অনলাইনে এখন অনেক ধরনের ব্যবসা করছে। আর এই ব্যবসার  মূল চাবিকাঠি হল ( ই-কমার্স) সাইট।

     

    আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটিং কি তা জেনে থাকেন তাহলে খুব সহজেই আপনি একটি নিজেই ই-কমার্স ওয়েবসাইট খুলতে পারবেন। গুগল এডসেন্স (Google AdSense), ( email marketing), SEO(search engine optimization), (content marketing) এবং আরো অন্যান্য। এগুলো সব গুলোই ডিজিটাল মার্কেটিং এর কৌশল। ওয়ার্ডপ্রেস (Word press) অথবা ব্লগার (blogger) এর মত প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে খুব সহজেই স্বল্প সময়ে ও কম খরচের মাধ্যমে একটি সুন্দর অনলাইন ব্যবসার প্লাটফর্ম তৈরি করা যায়। 


    আপনি যদি  ই-কমার্স  সম্পর্কে জানতে চান হলে প্রথমে আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে জানতে হবে। কারণ ডিজিটাল মার্কেটিং হল ই-কমার্সের প্রধান চিজনেস প্রাণশক্তি যা আপনার জীবনে নতুন করে এনে দিতে পারে স্বাধীনতা, আত্মবিশ্বাস ও সফলতা। 





এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url